আপনি কেন ডক্টর এস এম সারোয়ার স্যারের চিকিৎসা নিবেন?

আপনি নিশ্চয়ই জানেন, ক্যান্সার একটি জটিল রোগ। সাধারণভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চিকিৎসকদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে অনেক ক্ষেত্রেই তারা রোগটির সম্পূর্ণ নিরাময় সম্পর্কে নির্দিষ্ট আশ্বাস দিতে পারেন না এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার কথাই বলেন। বিশেষ করে, পূর্বে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিয়েও যদি প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া যায়, তখন রোগী ও পরিবারের জন্য বিষয়টি আরও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

এই প্রেক্ষাপটে, আপনি চাইলে আপনার একজন প্রতিনিধিকে আমাদের চেম্বারে পাঠাতে পারেন। আমাদের সম্মানিত স্যার প্রতি শনি, রবি ও সোমবার ঢাকায় এবং মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত রোগী দেখেন।

আমাদের চেম্বারে আসা অনেক রোগী পূর্বে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েও সন্তোষজনক ফল পাননি। তাদের মধ্য থেকে অনেকেই নিয়মিত ১–৪ মাস চিকিৎসা গ্রহণের পর উন্নতি অনুভব করেছেন। আপনি চাইলে সরাসরি রোগীদের সাথে কথা বলে তাদের অভিজ্ঞতা জানতে পারবেন এবং রিপোর্টের মাধ্যমেও বিষয়টি যাচাই করতে পারবেন।

আমাদের স্যারের চিকিৎসায় এ পর্যন্ত সাড়ে ৫ হাজারেরও অধিক ক্যান্সার, কিডনি, থ্যালাসেমিয়া ও এইডস রোগী সুস্থতা অর্জন করেছেন বলে জানানো হয়।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট এলাকার কয়েকটি বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে। ব্যারিস্টার সুমন সাহেবের চাচি এবং এডভোকেট তুহিন সাহেবের মা—যার প্রথমে গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি সম্পর্কিত ক্যান্সার ধরা পড়ে, পরবর্তীতে তা ইউরোলজি, কোলন ও খাদ্যনালীতে ছড়িয়ে যায়। একই সাথে তার ক্রিয়েটিনিন লেভেল ৩০-এর উপরে চলে যায়। বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া ও সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়েও তিনি সুস্থ হননি। পরবর্তীতে আল্লাহর রহমতে আমাদের স্যারের চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি সম্পূর্ণ সুস্থতা লাভ করেন। তিনি প্রায় ২০ বছর আগে সুস্থ হয়েছেন এবং এখনও সুস্থ আছেন।

এছাড়াও, চুনারুঘাটের বাগবাড়ি এলাকার সিদ্দিক মিয়া সাহেবের স্ত্রী, যিনি স্থানীয় একটি স-মিলের মালিক পরিবারের সদস্য, তার জরায়ু ক্যান্সার ধরা পড়ে। অন্যান্য চিকিৎসায় সুস্থতা না পেলেও, আল্লাহর রহমতে আমাদের স্যারের চিকিৎসার মাধ্যমে তিনি সুস্থ হন। ঘটনাটি প্রায় ২০ বছর আগের।

তার পাশের বাড়ির আল্লাহর অশেষ রহমতে ব্যারিস্টার সুমন সাহেবের পিছনে তিন জন আত্মীয় তিনজনেরই ক্যান্সার হয় আল্লাহর রহমতে স্যারের কাছে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়।

সিলেটের স্বনামধন্য ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. কামাল উদ্দিন সাহেবের চাচি, শিলাউড়া জামে মসজিদের সভাপতি বুরহান উদ্দিন সাহেবের স্ত্রী—তার ব্রেস্ট ক্যান্সার ধরা পড়ে। ডা. কামাল উদ্দিন সাহেব নিজেই চিকিৎসা করার পরও কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে পরিবারকে জানান যে, রোগীর বয়স বেশি হওয়ায় তাকে সুস্থ করা সম্ভব নয় এবং বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে রোগীর পরিবার আমাদের স্যারের শরণাপন্ন হন। আল্লাহর রহমতে স্যারের চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি সম্পূর্ণ সুস্থতা লাভ করেন এবং গত প্রায় ২০ বছর ধরে ক্যান্সারমুক্ত অবস্থায় সুস্থ আছেন।

এছাড়াও, শিলাউড়া গ্রামের মনু মিয়া চাচা, যিনি এলাকার একজন সম্মানিত মাতব্বর, তার স্ত্রীর জরায়ু ক্যান্সার ধরা পড়ে। দেশে চিকিৎসা নিয়েও সুস্থতা না পেলেও, আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের স্যারের চিকিৎসার মাধ্যমে তিনি সুস্থ হন।

সিলেটের মজিদপুর এলাকার সিরাজ মিয়া মেম্বারও দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসকদের কাছে চিকিৎসা নিয়েও ব্যর্থ হন এবং এক পর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে আমাদের স্যারের চিকিৎসা গ্রহণ করে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থতা অর্জন করেন।

একইভাবে, হবিগঞ্জ সদরের সন্ধ্যা রানী মেম্বারের স্বামী ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য চিকিৎসকের চিকিৎসায় সুস্থতা না পেলেও, আমাদের স্যারের চিকিৎসার মাধ্যমে তিনি সুস্থতা লাভ করেন। 

এমনিভাবে আপনারা কয়েক হাজার রোগী পাবেন স্যারের চিকিৎসায় সুন্দরভাবে সুস্থ হয়েছেন। সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক সাহেবের প্রধান গার্ড মোস্তাফিজুর রহমানের পরিবারে একাধিক এমবিবিএস ডাক্তার থাকা সত্ত্বেও তার ভাই, শেরপুর সদরের হাসু মিয়া, তিনি ক্যান্সার আক্রান্ত হন। যখন তিনি স্যারের কাছে আসছেন তখন একেবারে কাপনের কাপড় গলায় নিয়া আসছে। আমি ত এর বাঁচবো না স্যার আপনি চিকিৎসা দিয়ে লাভ কী? আমি কাপনের কাপড় গলায় নিয়া আসছি ডাক্তার বলছে আমি আর বাঁচবো না। তিনি বললেন স্যার ঔষধ দেন যতদিন বাঁচি খাই আল্লাহর রহমতে তিনি ও সুস্থ হন। আজ থেকে ২০ বছর ধরে সুস্থ। আমাদের স্যারের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে ২০ বছর আগে যে রোগীগুলো সুস্থ হয়েছেন এখনো সুস্থ আছেন। 

ঢাকার জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত হেলাল সাহেব, যিনি দুটি টেলিভিশন ও দুটি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত, থাইরয়েড ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। পিজির প্রাণ গোপাল দত্ত স্যার ওনার অপারেশন করে উনার কানের এক লতি থেকে আরেক লতি পর্যন্ত থাইরয়েড ক্যান্সার হয় সেই রোগীটা আবার বোবা হয়ে যায়, জবান বন্ধ হয়ে যায়। মুখ দিয়ে লালা পড়া শুরু করে। এরপর ডাক্তার বলছেন আর কোনো চিকিৎসা নাই। সেই অবস্থায় আমাদের স্যার চিকিৎসা শুরু করে এবং আজ থেকে দীর্ঘ ২০ বছর যাবৎ হেলাল সাহেব সুন্দর ভাবে সুস্থ আছেন।

ভোলা মাস্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলম সাহেব ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ৮৫ কেজি ওজন  থেকে মাত্র ২৫ কেজিতে নেমে আসেন। তার শারীরিক অবস্থা এতটাই সংকটাপন্ন ছিল যে চিকিৎসকরা তার পা কেটে ফেলার পরামর্শ দেন। কিন্তু স্যারের চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। বর্তমানে তিনি আগের চেয়েও সুস্থ ও কর্মক্ষম, এবং তার ওজনও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।

কুমিল্লার লাকসামের শ্রীয়াং গ্রামের এক নবজাতকের জন্মের পরপরই ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। যে বাড়িতে পাঁচ ভাইয়ের এক সন্তান জন্ম নিচ্ছে যেদিন জন্ম নিচ্ছে ঐদিনই দেখা যায় তার শরীরে ব্লাড নাই। মেডিকেল টেস্ট করে দেখা যায় তার শরীরে ব্লাড ক্যান্সার হয়েছে। স্কয়ারে ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা করতে গিয়ে দেখা প্রায় ১০ লক্ষ টাকা খরচ করছে তারপরে ও সুস্থ হয় নাই। ডাক্তার বলছেন শরীরের সমস্ত রগ শুকিয়ে গেছে এর কেমোথেরাপি দেওয়া সম্ভব না। উনাকে বাড়িতে নিয়ে যান আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। দুই এক দিনের ভিতর আপনার বাচ্চার মৃত্যু হবে। এ অবস্থায় স্যারের কাছে নিয়ে আসেন স্যারের কাছে চিকিৎসা করেন এবং স্যারের চিকিৎসা নিয়ে সম্পূর্ণ ভাবে সুস্থ হয়। এখন বর্তমানে বাচ্চার বয়স ৮ থেকে ১০ বছর হবে  লেখাপড়া করতেছে সুন্দর ভাবে।

এছাড়াও কুমিল্লার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মজিবুর রহমান সাহেব গুরুতর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েন। স্যারের চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং বর্তমানে স্বাভাবিক জীবনে সক্রিয় রয়েছেন।

আরেকজন ​রোগী চট্টগ্রামের এডভোকেট আব্দুল্লাহ সাহেব উনি হাই কোর্টে আছেন। উনার বোনের পিঠের মধ্যে একদম একটা বড় গর্ত হয়ে পিঠের মধ্যে মেরুদন্ডের হাড় দেখা যেতো, বিছানায় কাতরাতো গন্ধে ঘরে প্রবেশ করা যাইতো না। স্যারের কাছে আসে এবং ৪ মাস চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনিও সুস্থ হন। ১০ বছর যাবৎ সুস্থ আছেন। 

যখন অনেক চিকিৎসক ক্যান্সার সম্পর্কে হতাশাজনক মন্তব্য করেন, তখন আমাদের স্যার দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন—

“ক্যান্সার মানেই শেষ নয়, সঠিক চিকিৎসায় সুস্থতা সম্ভব।”

আমাদের স্যারের চিকিৎসার মাধ্যমে ইতোমধ্যে সাড়ে ৫,০০০+ ক্যান্সার রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। প্রতিটি রোগীর চিকিৎসার ডকুমেন্টেশন ও সাক্ষাৎকার সংরক্ষিত রয়েছে, যা আমাদের সেবার প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় করে।

আপনাদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ—অপ্রয়োজনীয় খরচ ও দুশ্চিন্তা না করে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করুন। আপনি যদি নিয়মিত ৪ মাস চিকিৎসা করেন ইনশাআল্লাহ সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবেন। ইনশাআল্লাহ রিপোর্ট সব ভালো আসবে। 

📌 সিরিয়াল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

প্রতিদিন প্রায় ৩০০–৪০০+ রোগীর সিরিয়াল থাকে

তাই কমপক্ষে ২–৩ দিন আগে সিরিয়াল কনফার্ম করা আবশ্যক

চিকিৎসার দিন পুরো দিনের সময় নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে

📋 সিরিয়াল বুকিং-এর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য:

রোগীর নাম

বয়স

ঠিকানা

সমস্যার বিবরণ

মোবাইল নাম্বার (যাতে সরাসরি যোগাযোগ করা যায়)

পূর্বের সকল রিপোর্ট ও প্রেসক্রিপশনের ছবি

📲 যোগাযোগের মাধ্যম:

WhatsApp:

📞 01724-245043

📞 01303-991953

💬 এছাড়াও ইনবক্সে যোগাযোগ করে সিরিয়াল নিশ্চিত করা যাবে

📍 চেম্বারের ঠিকানা:

পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

নতুন বাস স্ট্যান্ড, হবিগঞ্জ

আপনার সুস্থতাই আমাদের অঙ্গীকার।

আমি এখন সিরিয়াল দিতে চাই

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top